Admin Admin
২ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১২ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা-৫-এর দুই বীরের রাজনৈতিক স্মৃতি আব্দুল মতিন খসরু ও অধ্যক্ষ ইউনুস এক অনন্য অধ্যায়

নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লা-৫—বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া—শুধু একটি সংসদীয় আসনের নাম নয়; এটি রাজনৈতিক ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং দীর্ঘদিনের নানা রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ। এই জনপদের রাজনৈতিক ইতিহাসের পাতা উল্টালে বহু নেতার নাম সামনে আসে। তবে কিছু ব্যক্তিত্ব তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের স্মৃতি ও এলাকার ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এবং সাবেক সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. ইউনুস তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

দুই নেতা দুই ভিন্ন রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁদের রাজনৈতিক দর্শন, দলীয় অবস্থান ও কর্মপদ্ধতিতে পার্থক্য ছিল—এটাই গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বাভাবিক বাস্তবতা। কিন্তু একটি জনপদের রাজনৈতিক ইতিহাস শুধু কে কোন দলে ছিলেন, কে কাকে নির্বাচনে হারিয়েছেন কিংবা কে কোন সময়ে ক্ষমতায় ছিলেন—তার হিসাব দিয়ে সম্পূর্ণ হয় না। রাজনৈতিক ইতিহাসের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো পারস্পরিক সম্মান, রাজনৈতিক সহনশীলতা, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং প্রতিপক্ষের প্রতি আচরণ।

আব্দুল মতিন খসরু জাতীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। আইন অঙ্গন থেকে রাজনীতি, সংসদীয় দায়িত্ব এবং মন্ত্রিত্ব—বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিস্তৃত ছিল। কুমিল্লা-৫-এর মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সম্পর্ক তাঁকে এই এলাকার রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি পরিচিত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় নিয়ে মতভেদ, সমালোচনা কিংবা মূল্যায়ন থাকতেই পারে; কিন্তু তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কুমিল্লা-৫-এর ইতিহাসের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অন্যদিকে অধ্যক্ষ মো. ইউনুস ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক সংসদ সদস্য। শিক্ষা ও রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা তাঁকে এলাকার মানুষের কাছে ভিন্ন পরিচিতি দিয়েছে। একটি জনপদের রাজনীতিতে শিক্ষিত নেতৃত্বের ভূমিকা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জনগণের প্রতিনিধিত্ব—এসব বিষয়েও তাঁর রাজনৈতিক জীবন আলোচনার দাবি রাখে।

এই দুই নেতার রাজনৈতিক অবস্থান এক ছিল না। কিন্তু এখানেই তাঁদের স্মৃতি বর্তমান রাজনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আনে—রাজনৈতিক মতপার্থক্য কি পারস্পরিক সম্মানকে শেষ করে দিতে বাধ্য?

গণতান্ত্রিক রাজনীতির উত্তর হওয়া উচিত—না।

কারণ রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, নির্বাচন থাকবে, মতের পার্থক্য থাকবে, কর্মসূচির পার্থক্য থাকবে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা যদি ব্যক্তিগত শত্রুতায় পরিণত হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় শুধু রাজনীতিবিদরা নন; ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো সমাজ, ক্ষতিগ্রস্ত হয় একটি এলাকার রাজনৈতিক সংস্কৃতি।

কুমিল্লা-৫-এর বর্তমান রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য এখানেই অতীতের দিকে ফিরে তাকানোর প্রয়োজন রয়েছে।

আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, তাৎক্ষণিক বক্তব্য, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দলীয় বিভাজন অনেক সময় রাজনৈতিক পরিবেশকে দ্রুত উত্তপ্ত করে তোলে। একটি বক্তব্য মুহূর্তের মধ্যে হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিটি বক্তব্য ও আচরণের সামাজিক প্রভাবও আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। এমন বাস্তবতায় রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম ও পারস্পরিক সম্মান আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

একজন নেতা যখন প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক অবস্থানের বিরোধিতা করেন, তখন তিনি তাঁর নীতি ও কর্মসূচির সমালোচনা করতেই পারেন। কিন্তু ব্যক্তিগত মর্যাদা, পরিবার, সামাজিক অবস্থান কিংবা মানবিক পরিচয়কে আক্রমণের লক্ষ্য বানানো রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে দুর্বল করে। রাজনীতির শক্তি যুক্তিতে, কর্মসূচিতে এবং জনগণের আস্থায়; অপমান বা বিদ্বেষে নয়।

কুমিল্লা-৫-এর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিবর্তন দেখেছেন। তাঁরা দেখেছেন বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার পরিবর্তন, প্রার্থী পরিবর্তন, রাজনৈতিক সমীকরণের পরিবর্তন এবং নেতৃত্বের পরিবর্তন। কিন্তু সাধারণ মানুষের মৌলিক প্রত্যাশা খুব বেশি বদলায়নি। তাঁরা চান নিরাপদ জীবন, উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, ভালো শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা, কর্মসংস্থান, কৃষকের ন্যায্য মূল্য, তরুণদের ভবিষ্যৎ এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন।

অতএব, বর্তমান রাজনীতির সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত—কে কাকে পরাজিত করলেন, সেটি নয়; বরং কে মানুষের জন্য কতটা কাজ করলেন?

একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় অর্জন হতে পারে তাঁর এলাকার মানুষের আস্থা। সংসদীয় মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, রাজনৈতিক পদ পরিবর্তিত হয়, ক্ষমতার সমীকরণ বদলে যায়; কিন্তু মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা সহজে মুছে যায় না। এ কারণেই কোনো রাজনৈতিক নেতার মূল্যায়ন করতে হলে শুধু তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নয়, তাঁর জনসম্পৃক্ততা, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের সঙ্গে সম্পর্ককেও বিবেচনায় নিতে হয়।

আব্দুল মতিন খসরু ও অধ্যক্ষ ইউনুসের রাজনৈতিক স্মৃতি তাই বর্তমান প্রজন্মের জন্য শুধু অতীতের গল্প নয়; এটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে ভাবার একটি সুযোগ। তাঁদের রাজনৈতিক জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততা, জনসম্পৃক্ততা এবং নিজ নিজ রাজনৈতিক পরিসরে তাঁদের ভূমিকা নতুন প্রজন্মের সামনে তথ্যভিত্তিকভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক জীবনের মূল্যায়ন হতে হবে ইতিহাস ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে। কোনো নেতাকে স্মরণ করা মানে তাঁকে নিয়ে অন্ধ প্রশংসা করা নয়; বরং তাঁর সময়, কর্ম, রাজনৈতিক পরিবেশ এবং জনসম্পৃক্ততাকে যথাযথ প্রেক্ষাপটে বোঝা। ইতিহাসের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণই পারে একটি জনপদের রাজনৈতিক স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে।

কুমিল্লা-৫-এর বর্তমান নেতৃবৃন্দের কাছেও মানুষের প্রত্যাশা অনেক। তাঁরা যেন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে জনকল্যাণের প্রতিযোগিতায় পরিণত করেন। কে বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন, কে বেশি উন্নয়ন করতে পারেন, কে মানুষের সমস্যা সংসদ ও প্রশাসনের সামনে কার্যকরভাবে তুলে ধরতে পারেন—রাজনীতির প্রতিযোগিতা যদি এমন জায়গায় পৌঁছায়, তাহলে উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ।

রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্ব আসবে, পুরোনো নেতৃত্ব বিদায় নেবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নেতৃত্বের পরিবর্তনের সঙ্গে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও শিষ্টাচারের ধারাটি যেন হারিয়ে না যায়। আজ যিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, আগামী দিনে তিনি কোনো সামাজিক বা জাতীয় প্রয়োজনে সহযোগী হতে পারেন। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য এখানেই—মত আলাদা হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্র ও সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ থাকতে হয়।

বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষের মধ্যে যে সামাজিক বন্ধন, পারস্পরিক সম্পর্ক ও ঐতিহ্য রয়েছে, সেটিকে রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে দুর্বল করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। রাজনৈতিক নেতারা যদি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, তাহলে তাঁদের কর্মী-সমর্থকরাও সেই সংস্কৃতি অনুসরণ করবেন। একজন নেতার ভাষা অনেক সময় তাঁর হাজারো কর্মীর আচরণকে প্রভাবিত করে। তাই রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব শুধু নিজের বক্তব্য দেওয়া নয়; বরং একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করাও।

আজ কুমিল্লা-৫-এর রাজনীতিতে যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের মনে রাখা প্রয়োজন—একদিন তাঁরাও অতীতের অংশ হয়ে যাবেন। তাঁদের বক্তব্য, কর্মকাণ্ড, মানুষের সঙ্গে আচরণ এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি তাঁদের ব্যবহার একদিন ইতিহাসের আলোচনায় আসবে। তাই আজকের রাজনীতি শুধু বর্তমানের জন্য নয়; ভবিষ্যতের ইতিহাসের জন্যও।

যে নেতা মানুষের পাশে দাঁড়ান, মানুষের কথা শোনেন, প্রতিপক্ষকে সম্মান করেন এবং নিজের রাজনৈতিক অবস্থানকে জনগণের কল্যাণের সঙ্গে যুক্ত করেন—তাঁর রাজনৈতিক স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর যে রাজনীতি কেবল বিভাজন তৈরি করে, তা হয়তো সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে মানুষের হৃদয়ে কতটা জায়গা করে নিতে পারে—সেটিই বড় প্রশ্ন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন খসরু ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. ইউনুস—দুই ভিন্ন রাজনৈতিক ধারার দুই পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তাঁদের রাজনৈতিক জীবনকে ঘিরে নানা মূল্যায়ন থাকতে পারে, কিন্তু তাঁদের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে একটি বিষয় অবশ্যই সামনে আনা যায়—একটি জনপদের রাজনৈতিক ইতিহাসকে সম্মান করতে হলে সেই ইতিহাসের মানুষগুলোকেও সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করতে হয়।

আজকের কুমিল্লা-৫ যদি আগামী দিনের জন্য একটি সুন্দর রাজনৈতিক দৃষ্টান্ত তৈরি করতে চায়, তাহলে প্রয়োজন রাজনৈতিক সহনশীলতা, পারস্পরিক সম্মান, গণতান্ত্রিক আচরণ এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা। দলীয় পরিচয় থাকবে, মতের পার্থক্য থাকবে, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকবে—কিন্তু তার সঙ্গে থাকবে সৌহার্দ্য ও মানবিকতা।

কারণ শেষ পর্যন্ত রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু কোনো ব্যক্তি, পদ কিংবা চেয়ার নয়—মানুষ।

মানুষের জন্য রাজনীতি, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য রাজনীতি—এই দর্শনকে সামনে রেখে কুমিল্লা-৫-এর বর্তমান নেতৃত্ব এগিয়ে গেলে সেটিই হবে অতীতের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রতি সবচেয়ে অর্থবহ সম্মান।

আজকের নেতারা একদিন অতীতের নেতা হবেন। তখন তাঁদের স্মরণ করবে নতুন প্রজন্ম। প্রশ্ন থাকবে—তাঁরা কী রেখে গেছেন? বিভেদ, বিরোধ ও প্রতিহিংসার স্মৃতি, নাকি মানুষের জন্য কাজ করার একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত?

সেই উত্তরটি আজকের রাজনীতিকদের হাতেই।

তাই কুমিল্লা-৫-এর রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান—অতীতকে অস্বীকার নয়, অতীত থেকে শিক্ষা নিন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শত্রু নয়, গণতান্ত্রিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখুন। ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিবর্তে নীতি ও কর্মসূচি নিয়ে কথা বলুন। জনগণের সমস্যা নিয়ে মাঠে থাকুন। মানুষের আস্থা অর্জন করুন। আর এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলুন, যাতে আগামী প্রজন্ম কুমিল্লা-৫-এর রাজনীতির ইতিহাস পড়লে গর্বের সঙ্গে বলতে পারে—এই জনপদের রাজনীতি একসময় শুধু ক্ষমতার জন্য ছিল না; মানুষের জন্যও ছিল।

আব্দুল মতিন খসরু ও অধ্যক্ষ ইউনুসের স্মৃতি তাই শুধু অতীতের স্মৃতি নয়; এটি বর্তমান রাজনীতির জন্য একটি আয়না। সেই আয়নায় আজকের নেতৃত্ব নিজেদের রাজনৈতিক আচরণ, দায়িত্ববোধ ও ভবিষ্যতের উত্তরাধিকারকে একবার দেখে নিতে পারে।

কুমিল্লা-৫-এর রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁদের নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হোক। আর তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের নেতারা এমন রাজনীতি উপহার দিন, যাতে একদিন তাঁদের নামও মানুষ দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করে।

রাজনীতি বদলাবে, নেতৃত্ব বদলাবে, সময় বদলাবে—কিন্তু মানুষের হৃদয়ে স্থান পাওয়া নেতৃত্বের স্মৃতি সহজে বদলায় না।

লেখক: মোঃ শাহজাহান বাশার (সাংবাদিক, দৈনিক জনতার মতামত ও দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন
যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ অনলাইন গণমাধ্যম সম্পাদক পরিষদ, ঢাকা)

মন্তব্য করুন

[wpdevart_facebook_comment curent_url="https://dhakarbarta24.com/2026/10/02/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a7%ab-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%be/" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প

১

কুমিল্লা-৫-এর দুই বীরের রাজনৈতিক স্মৃতি আব্দুল মতিন খসরু ও অধ্যক্ষ ইউনুস এক অনন্য অধ্যায়

২

রামপুরা বনশ্রীর নয়া আতঙ্ক পিচ্ছি আলামীনসহ তার দুই সহযোগী’কে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি

৩

বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে চাচা-ভাতিজার হাতে যুবক নিহত

৪

দলীয় প্রভাবমুক্ত প্রশাসন: সুশাসনের পথে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা- সাংবাদিক মোঃ শাহজাহান বাশার,

৫

শাহপরীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবা জব্দ

৬

রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

৭

রাজধানীতে শাহাদাত-এ কারবালা মাহফিল

৮

সরকারের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিবর্গের বিষয়ে কুরুচিপূর্ণ পোষ্ট,অভিযুক্ত ৬ জন’কে গ্রেফতার করছে: র‍্যাব

৯

বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার বিরোধে বিএনপি’নেতাকে খুন মূলহোতা’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-২

১০

কুমিল্লা’য় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

১১

৫ম ও ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ২৮-৩১ ডিসেম্বর

১২

কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে ৯টি’তে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা

১৩

কুড়িগ্রামে একই আসনে লড়বে আপন দু’ভাই দুই দল থেকে

১৪

গুমের অভিযোগ নিয়ে ট্রাইব্যুনালে ছাত্রদল নেতা

১৫

নতুন কর্মসূচির ঘোষণা জামায়াতসহ ৮ দলের

১৬

জামায়াতসহ ৮ দলের যৌথ সংবাদ সম্মেলন আজ

১৭

“জুলাই সনদের আইনিভিত্তিক গণভোট দিতে হবে” —কুমিল্লা ৬ আসনের জামায়াত প্রার্থী

১৮

মোটরসাইকেল চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

১৯

সুদানে রাস্তায় শত শত মরদেহ, কবর দেওয়ার কেউ নেই

২০