নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাড্ডায় ব্যবসায়ী লোকমান’হোসেন’কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দূর্বৃত্তরা। শনিবার সন্ধ্যায় আফতাবনগরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন।
এসময় ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন জানায় , শুক্রবার বিকেলে বাসায় ফেরার পথে আফতাব নগর আইডিয়ালের সামনে রিকশা থেকে নামিয়ে ৫ থেকে ৬জন অপরিচিত ব্যাক্তি বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র হাতুড়ি চাপাতি হকস্টিক ব্যাবহার করে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়।হামলার এক পর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনের সহায়তায় লোকমান হোসেন’কে চিকিৎসার জন্য শ্যামলী পঙ্গু হসপিটাল নিয়ে যান কয়েকজন। চিকিৎসা নিতে পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার পথে প্রিন্স নামক এক ব্যক্তি অজ্ঞাত ফোন নাম্বার থেকে কল দিয়ে এব্যাপারে মুখ খুললে পুনরায় হামলার মেরে পেলার হুমকি দেন ও বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী লোকমান হোসেন।
এর আগে একটি ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকের ছাড়পত্র অনুমোদন করে দেয়ার কথা বলে চুক্তিতে মিন্টু নামক এক ব্যাক্তি ৩০ লাখ টাকা নিয়ে যান। ১৫ কার্যদিবসে ছাড়পত্র অনুমোদন আনার কথা থাকলেও প্রায় দেড় বছর পার হয়ে গেলেও আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়ায় পাওনা টাকা ফেরৎ চায় লোকমান ও তার পাটনাররা। ফলে তাকে মিন্টুর সালা সোহাগ হুমকি দেয়ার পাশাপাশি আরও ২০ লাখ টাকা দাবীরও করেন তার কাছে।
হুমকির পরদিনই আফতাবনগর এলাকায় অতর্কিত এ হামলা চালান লোকমানের উপর।গুরুতর আহত হয়ে হসপিটালের বেডে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন লোকমান ।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে হামলার অভিযোগ শতভাগ প্রমাণিত হয়েছে যাহা ভুক্তভোগীর শারীরিক কন্ডিশন দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে এখন থানা পুলিশ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
আইনগতভাবে এবং চিকিৎসা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। হামলার আগে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল কি না এবং অর্থ লেনদেনের বিরোধের সঙ্গে হামলার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তে বেরিয়ে আসা জরুরি।
এঘটনায় বাড্ডা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহসহ আসামীদের আইনের আওতায় আনার জোর চেষ্টা চলমান রেখেছেন বলে জানায় বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুর রহমান ও বাড্ডা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জিয়া উদ্দিন ।
ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন ও তাঁর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলায় জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন