News Admin
১৯ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার শিক্ষাঙ্গনে আফজল খানের উত্তরাধিকার ও অবদান রাজনীতির পরিচয়ের বাইরে শিক্ষা বিস্তারে রেখে যাওয়া এক দীর্ঘস্থায়ী অধ্যায়

মোঃ শাহজাহান বাশার

কোনো মানুষের মূল্যায়ন কি শুধু তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়, পদ-পদবি কিংবা ব্যক্তিগত কর্মজীবনের হিসাব দিয়ে করা যায়? ইতিহাস বলে, সবসময় নয়। একজন মানুষ চলে যাওয়ার পর তাঁর রেখে যাওয়া প্রতিষ্ঠান, মানুষের জন্য করা কাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তৈরি করে যাওয়া সুযোগই অনেক সময় হয়ে ওঠে তাঁর প্রকৃত উত্তরাধিকার।

কুমিল্লার ইতিহাসে প্রয়াত অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আফজল খান এমনই এক বহুমাত্রিক চরিত্র, যার জীবনকে শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে তাঁর কর্মপরিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আড়ালেই থেকে যায়। বিশেষ করে কুমিল্লার শিক্ষাঙ্গনে তাঁর উদ্যোগ, প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রচেষ্টা এবং বিভিন্ন স্তরের মানুষের জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির ভূমিকা নতুন করে মূল্যায়নের দাবি রাখে।

১৯৪৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া আফজল খান ছাত্রজীবন থেকেই জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। ১৯৬৫ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রসংসদে ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তী সময়ে ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং মুক্তিযুদ্ধে সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন বলে বিভিন্ন জীবনী ও সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

স্বাধীনতার পর কুমিল্লার সামাজিক, রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক ও নাগরিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয়তা বিস্তৃত হয়। কুমিল্লা পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান, কুমিল্লা শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহসভাপতির মতো দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বিভিন্ন সূত্রে সমবায় ও বৃক্ষরোপণসহ সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদানের স্বীকৃতির কথাও উল্লেখ রয়েছে।

তবে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্থায়ী অধ্যায়গুলোর একটি ছিল শিক্ষা বিস্তার।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে আফজল খানের প্রতিষ্ঠা, উদ্যোগ কিংবা সংশ্লিষ্টতায় কুমিল্লা ও আশপাশে প্রায় ১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে। আবার কোনো কোনো প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৮ কিংবা ২২ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে নির্ভুল সংখ্যা নির্ধারণের জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সরকারি নথি, প্রতিষ্ঠাকালীন দলিল ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ড যাচাই প্রয়োজন। তবে সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও শিক্ষা বিস্তারে তাঁর উদ্যোগের ব্যাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন নেই।

তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় রয়েছে কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল, বঙ্গবন্ধু ‘ল’ কলেজ, শেখ ফজিলাতুন্নেছা কারিগরি কলেজ, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মডার্ণ হাই স্কুল, আফজল খান কারিগরি ও কমার্স কলেজ, জালুয়াপাড়া আফজল খান উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, নার্গিস আফজল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, নার্গিস আফজল কারিগরি ও কমার্স কলেজ, নার্গিস আফজল কিন্ডারগার্টেনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ধরন বিশ্লেষণ করলে তাঁর শিক্ষা ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক স্পষ্ট হয়। তিনি শুধু সাধারণ মাধ্যমিক শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি; মেয়েদের শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, বাণিজ্য শিক্ষা, আইন শিক্ষা এবং প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষাকেও গুরুত্ব দিয়েছেন।

অর্থাৎ শিক্ষা তাঁর কাছে ছিল শুধু একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জন্য সুযোগ নয়; বরং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার একটি বৃহত্তর উদ্যোগ।

কুমিল্লা মডার্ণ হাই স্কুল তাঁর শিক্ষা-উদ্যোগের অন্যতম পরিচিত প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৯৩ সাল এবং আফজল খানকে এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি কুমিল্লার পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে জায়গা করে নেয়। প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও পরিচালনাগত নানা অধ্যায়ও রয়েছে।

একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় স্মৃতিস্তম্ভ সবসময় ইট-পাথরের ভবন হয় না। কখনো কখনো তাঁর হাতে গড়ে ওঠা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় স্মারক—যেখান থেকে বছরের পর বছর শিক্ষার্থী বেরিয়ে এসে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের জায়গা তৈরি করে।

আফজল খানের শিক্ষা উদ্যোগের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় বঙ্গবন্ধু ‘ল’ কলেজ। আইন শিক্ষার প্রসারে এই প্রতিষ্ঠান কুমিল্লায় একটি বিশেষ ক্ষেত্র তৈরি করেছে। প্রকাশিত স্মৃতিচারণমূলক বর্ণনায় জানা যায়, কুমিল্লায় আইন শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা থেকে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং প্রাথমিক পর্যায়ে মডার্ণ স্কুলের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে আইন কলেজের কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এই উদ্যোগ তাঁর শিক্ষা ভাবনার আরেকটি দিক সামনে আনে। প্রচলিত স্কুল-কলেজ শিক্ষার পাশাপাশি পেশাভিত্তিক ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চেষ্টা ছিল তাঁর কর্মকাণ্ডের অংশ।

নারী শিক্ষার ক্ষেত্রেও তাঁর উদ্যোগ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তালিকায় একাধিক বালিকা বিদ্যালয়ের নাম রয়েছে। একটি সমাজের সামগ্রিক অগ্রগতিতে নারী শিক্ষার গুরুত্ব আজ সর্বজনস্বীকৃত। কিন্তু যে সময়ে দেশের অনেক এলাকায় মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ আজকের মতো বিস্তৃত ছিল না, তখন বিভিন্ন এলাকায় বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

একইভাবে কারিগরি ও বাণিজ্য শিক্ষার প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগও ছিল সময়ের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত। বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় শিক্ষা শুধু সনদ অর্জনের বিষয় নয়; দক্ষতা, কর্মসংস্থান, আত্মনির্ভরতা ও পেশাগত সক্ষমতার সঙ্গেও এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আফজল খানের কারিগরি ও কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গড়ার উদ্যোগ কুমিল্লার শিক্ষা ইতিহাসে আলাদা করে মূল্যায়নের দাবি রাখে।

তবে আফজল খানের উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা করতে গেলে একটি বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি—একজন মানুষের রাজনৈতিক পরিচয় এবং তাঁর সামাজিক বা প্রাতিষ্ঠানিক অবদানকে এক করে দেখা উচিত নয়।

আফজল খান বাংলাদেশের রাজনীতির একটি নির্দিষ্ট ধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন—এটি তাঁর জীবনের ঐতিহাসিক বাস্তবতা। তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে কারও প্রশংসা থাকতে পারে, কারও সমালোচনাও থাকতে পারে। কিন্তু তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে গড়ে উঠেছে, কতজন শিক্ষার্থী সেখানে পড়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান অবস্থা কী এবং কুমিল্লার সমাজে সেগুলোর বাস্তব প্রভাব কতটা—এসব প্রশ্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে গিয়ে মূল্যায়ন করা সম্ভব।

বরং ইতিহাসের নিরপেক্ষ পাঠে একজন ব্যক্তির বিভিন্ন ভূমিকা আলাদা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করাই অধিক যুক্তিসঙ্গত।

এই জায়গা থেকেই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে—একজন ব্যক্তি তাঁর জীবদ্দশায় একটি শহরের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কী রেখে গেলেন?

আফজল খানের ক্ষেত্রে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে তাকাতেই হয়।

একটি স্কুল মানে শুধু একটি ভবন নয়। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিবার, স্বপ্ন এবং একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। একটি কলেজও শুধু শ্রেণিকক্ষ বা সনদ দেওয়ার প্রতিষ্ঠান নয়; এর সঙ্গে যুক্ত থাকে উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা, কর্মসংস্থান, সামাজিক পরিবর্তন এবং একটি পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক অগ্রগতির সম্ভাবনা।

সেই অর্থে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার প্রভাব একজন ব্যক্তির জীবদ্দশার অনেক পরে পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

২০২১ সালের নভেম্বরে আফজল খানের মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষটি নেই, কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে; শিক্ষক আছেন, শিক্ষার্থী আছে এবং রয়েছে নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন।

এটাই হয়তো একটি প্রাতিষ্ঠানিক উত্তরাধিকারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য।

তবে কোনো উত্তরাধিকারকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হলে শুধু প্রশংসা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন তথ্য, দলিল ও গবেষণা।

আফজল খানের শিক্ষা-উদ্যোগ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ গবেষণার জন্য তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সরকারি নথি, প্রতিষ্ঠাকাল, প্রতিষ্ঠাকালীন ভূমিকা, জমির মালিকানা ও উৎস, সরকারি অনুমোদন, শিক্ষার্থী-শিক্ষক সংখ্যা, পরীক্ষার ফলাফল, অবকাঠামো এবং বর্তমান প্রশাসনিক ও আর্থিক কাঠামো যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে যে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত, সেখানে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রতিষ্ঠাতা, উদ্যোক্তা, দাতা, পৃষ্ঠপোষক নাকি অন্য কোনো কাঠামোগত দায়িত্বে—তা নথিভিত্তিকভাবে নির্ধারণ করা জরুরি।

কারণ ইতিহাস শুধু স্মৃতিচারণ দিয়ে তৈরি হয় না; ইতিহাস তৈরি হয় দলিল, তথ্য, প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য এবং যাচাইযোগ্য প্রমাণের সমন্বয়ে।

আফজল খানের ক্ষেত্রেও এই গবেষণা হলে কুমিল্লার শিক্ষা ইতিহাসে তাঁর অবদান আরও নির্ভুলভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

সময় পেরিয়ে যায়। মানুষ চলে যায়। রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যায়। কিন্তু একটি প্রজন্মকে শিক্ষিত করার উদ্যোগ বহু প্রজন্ম ধরে বেঁচে থাকতে পারে।

একজন মানুষের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে, তাঁর কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তাঁর আদর্শ নিয়ে মানুষের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু শিক্ষা বিস্তারের মতো কোনো ইতিবাচক উদ্যোগ যদি বাস্তবে মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখে, তাহলে সেটিকে তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা ইতিহাসেরই দাবি।

কুমিল্লার শিক্ষাঙ্গনে আফজল খানের উত্তরাধিকার তাই শুধু একজন ব্যক্তির স্মৃতিচারণের বিষয় নয়; এটি কুমিল্লার শিক্ষা বিস্তারের ইতিহাসেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

তাঁর সবচেয়ে বড় স্মৃতি হয়তো কোনো রাজনৈতিক পদ নয়, কোনো নির্বাচনী ফলও নয়—বরং শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে গড়ে ওঠা সেই প্রতিষ্ঠানগুলো, যেগুলো তাঁর জীবনের পরও প্রজন্মের পর প্রজন্মের সঙ্গে যুক্ত থাকার সম্ভাবনা বহন করছে।

আর সেই কারণেই আফজল খানের শিক্ষা-উদ্যোগকে দলীয় রাজনীতির সংকীর্ণতার বাইরে এনে, আবেগের পাশাপাশি তথ্য ও দলিলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

লেখকের বক্তব্য: এই লেখা কোনো রাজনৈতিক দল, মতাদর্শ বা ব্যক্তির পক্ষে-বিপক্ষে প্রচারণা নয়। লেখকের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই। সকল দল ও মতের ভালো মানুষের ইতিবাচক কাজের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই এই মূল্যায়ন। উদ্দেশ্য একটাই—কুমিল্লার শিক্ষা ও সামাজিক ইতিহাসে যাঁরা অবদান রেখেছেন, তাঁদের কাজকে দল-মতের ঊর্ধ্বে রেখে তথ্যনির্ভরভাবে তুলে ধরা।

মন্তব্য করুন

[wpdevart_facebook_comment curent_url="https://dhakarbarta24.com/2026/08/19/%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AB/" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে কুবি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ,

চাটমোহরে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

রাজাপুরে প্রথমবার মাদকবিরোধী মিনি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: আটক ৩ , তদন্তে নতুন মোড়

অ্যাডভোকেট হাবিবুল হক পেলেন ‘টপ পারফর্মার অ্যাওয়ার্ড

কুমি শিক্ষিকার সন্তান অপ্রতিম হ ত্যা জড়িত সন্দেহে আটক তুহিন

কোটবাড়ী থেকে নিখোঁজ কুবি শিক্ষকের ১৩ বছরের ছেলে

মহান শিক্ষা দিবসে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্র ইউনিয়নের পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঈশ্বরদীতে বজ্রপাতে কৃষক নিহত, আহত ১

বাংলাদেশে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ, পোশাকশিল্পে বাড়ছে ক্ষতি

১০

শিশু কলি হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন, ধর্ষণের অভিযোগ

১১

স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে সারাদেশে ১১৪ ভেন্যুতে পুলিশের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ শুরু

১২

কুমিল্লায় নকল সিগারেট তৈরির কারখান! মেশিনসহ গ্রেফতার ৯

১৩

মতিঝিল বিভাগে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫১

১৪

টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক

১৫

মুরাদনগরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন ২০ ঘণ্টার মধ্যে মূলহোতাসহ ৩ আসামি গ্রেফতার

১৬

নিখোঁজের সাতদিন পর বস্তাবন্দি শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

১৭

শিক্ষা দিবস উপলক্ষে চুনারুঘাটে ছাত্র ইউনিয়নের কুইজ প্রতিযোগিতা ও লিফলেট বিতরণ

১৮

চাঁদের পাশে ‘সন্ধ্যাতারা’, বিরল সৌন্দর্যে মুগ্ধ আকাশপ্রেমীরা

১৯

চান্দিনায় ফ্যামিলি কার্ডের জন্য ৩০হাজার টাকা নিলেন বিএনপির ৩নেতা!

২০