মোঃ শাহজাহান বাশার

একটি দেশের প্রকৃত শক্তি শুধু তার মাটির নিচে থাকা প্রাকৃতিক সম্পদ, অর্থনৈতিক সক্ষমতা কিংবা ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না; বরং সেই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো তার মানুষের মেধা, দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা। একটি রাষ্ট্রের সেরা মেধাগুলো কোথায়, কীভাবে এবং কতটা কার্যকরভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে, তার ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে দেশটির ভবিষ্যৎ। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। অর্থনীতি, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক সূচকে দেশ এগিয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আজও অমীমাংসিত রয়ে গেছে—আমরা কি আমাদের মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পেরেছি?

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই মেধাবীদের মূল্যায়ন ও এগিয়ে নেওয়ার কথা বারবার উচ্চারিত হয়েছে। রাজনীতির মঞ্চ, প্রশাসনের সভাকক্ষ কিংবা বিভিন্ন সভা-সমাবেশের বক্তব্যে নীতিনির্ধারকেরা প্রায়ই বলেন, দেশের মেধাবীদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু বাস্তবতার চিত্র অনেক ক্ষেত্রেই ভিন্ন। কথার ফুলঝুরি যত বড়ই হোক, বাস্তবে যোগ্যতা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার পরিবর্তে কখনো কখনো আনুগত্য, পরিচয়, স্বজনপ্রীতি কিংবা প্রভাবশালী মহলের সুপারিশ প্রাধান্য পায়। এর ফলে প্রকৃত যোগ্য মানুষ পিছিয়ে পড়েন এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে মেধার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয় না।

সবকিছুরই কোনো না কোনো বিকল্প খুঁজে পাওয়া সম্ভব, কিন্তু মেধা, প্রজ্ঞা ও সৃজনশীলতার প্রকৃত বিকল্প নেই। একজন মেধাবী মানুষ শুধু বইয়ের পাতা পড়ে কিংবা একটি সার্টিফিকেট অর্জন করে থেমে থাকেন না। তিনি বাস্তবতা বিশ্লেষণ করতে পারেন, সমস্যার মূল কারণ শনাক্ত করতে পারেন এবং সীমিত সময় ও সম্পদের মধ্যে কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করার সক্ষমতা রাখেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই ক্ষমতা যখন যোগ্য মানুষের হাতে থাকে না, তখন তার প্রভাব শুধু একটি প্রতিষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকে না; ধীরে ধীরে তার খেসারত দিতে হয় পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ার মাশুল বাংলাদেশও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দিচ্ছে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো শিক্ষা কতটা বাস্তবমুখী, গবেষণানির্ভর ও সৃজনশীল করা যাচ্ছে। পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু শিক্ষা যদি কেবল মুখস্থনির্ভরতা ও সনদ অর্জনের প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে প্রকৃত মেধার বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। একজন শিক্ষার্থী শুধু কী জানে তা দিয়ে নয়, সে কীভাবে চিন্তা করে, কীভাবে প্রশ্ন করে, কীভাবে নতুন ধারণা তৈরি করে এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান করতে পারে—এসব বিষয়ও মূল্যায়নের আওতায় আনা প্রয়োজন।

গবেষণা, উদ্ভাবন ও নতুন চিন্তার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরি না হলে মেধার পূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সঠিক সুযোগ, মর্যাদা ও মূল্যায়নের অভাবে অসংখ্য তরুণ বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। বাংলাদেশের অনেক মেধাবী তরুণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা, গবেষণা, চিকিৎসা, প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যবসা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন। এটি যেমন বাংলাদেশের মানুষের মেধার সক্ষমতার প্রমাণ, তেমনি দেশের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তাও। কারণ একজন মেধাবী তরুণ যখন নিজের দেশে কাজের উপযুক্ত পরিবেশ না পেয়ে বিদেশে গিয়ে তার প্রতিভার বিকাশ ঘটান, তখন ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি বাংলাদেশ হারায় সম্ভাবনাময় একজন গবেষক, উদ্ভাবক, পেশাজীবী কিংবা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে। মেধা পাচার বন্ধ করতে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে উন্নত, স্বনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।

রাজনীতি, প্রশাসন এবং নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে মেধাবীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এখন সময়ের অন্যতম বড় দাবি। একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে রাজনীতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদে যারা আইন প্রণয়ন করবেন, জাতীয় বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখবেন, তাদের মধ্যে জ্ঞান, প্রজ্ঞা, সততা, দূরদর্শিতা ও দায়িত্ববোধ থাকা অপরিহার্য। রাজনীতিতে যখন যোগ্যতা ও জনকল্যাণের পরিবর্তে অন্ধ আনুগত্য, ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা কিংবা পেশিশক্তি বেশি গুরুত্ব পায়, তখন সাধারণ মানুষের ভাগ্যের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসে না এবং রাজনীতির প্রতি জনগণের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

একইভাবে প্রশাসনে যদি যোগ্যতা ও দক্ষতার পরিবর্তে অন্য কোনো হিসাবের ভিত্তিতে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়, তবে প্রশাসনিক স্থবিরতা, অদক্ষতা ও দুর্নীতির ঝুঁকি তৈরি হয়। নীতি-নির্ধারণের টেবিলে যদি দূরদর্শী, সৎ ও মেধাবী মানুষের উপস্থিতি না থাকে, তাহলে অনেক নীতি কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থেকে যায়; সাধারণ মানুষের জীবনে তার কাঙ্ক্ষিত সুফল পৌঁছায় না। বিশেষ করে প্রকৌশল, চিকিৎসা, তথ্যপ্রযুক্তি, অর্থনীতি, পরিবেশ, নগর পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বিশেষায়িত ক্ষেত্রে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের মতামত ও সিদ্ধান্তকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। একজন প্রকৌশলীর ভুল সিদ্ধান্ত যেমন বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে, তেমনি একজন চিকিৎসকের ভুল সিদ্ধান্ত মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। ফলে বিশেষায়িত দায়িত্বে যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া শুধু ন্যায়সংগত নয়, এটি রাষ্ট্রীয় স্বার্থেরও বিষয়।

এখন প্রশ্ন হতে পারে—পরিবর্তনটা কীভাবে আসবে? পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হতে পারে শিক্ষা ও নিয়োগব্যবস্থায় কাঠামোগত সংস্কার। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি কিংবা পরীক্ষার ফল নয়, একজন মানুষের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের দক্ষতা, চিন্তার গভীরতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকেও মূল্যায়নের আওতায় আনতে হবে। সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের নিয়োগে স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও মেধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। পরিচয়, প্রভাব, স্বজনপ্রীতি কিংবা অন্যায্য সুবিধার সুযোগ যত কমবে, যোগ্য মানুষের জন্য পথ তত উন্মুক্ত হবে।

দ্বিতীয়ত, কর্মক্ষেত্রে মেধাবীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষজ্ঞ ও পেশাজীবীদের ওপর অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কমিয়ে তাদের পেশাগত দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ দিতে হবে। একজন যোগ্য প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী কিংবা প্রযুক্তিবিদ যদি তার দক্ষতা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করার স্বাধীনতা না পান, তাহলে শুধু সেই ব্যক্তি নয়, পুরো রাষ্ট্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একই সঙ্গে মেধাবীদের যথাযথ সম্মান, ন্যায্য পারিশ্রমিক ও কাজের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তরুণ প্রজন্মের কাছে এই বার্তা পৌঁছে যে সৎভাবে এবং নিজের মেধা ব্যবহার করেও বাংলাদেশে সম্মানজনক ও সফল জীবন গড়া সম্ভব।

তৃতীয়ত, শিক্ষাব্যবস্থাকে সনদমুখী না করে চিন্তা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা বিকাশের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গবেষণার সুযোগ বাড়াতে হবে এবং তরুণদের নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনে উৎসাহিত করতে হবে। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বাংলাদেশের তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, গবেষক, উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে তৈরি করতে হবে।

সবচেয়ে বড় পরিবর্তন প্রয়োজন রাজনৈতিক ও নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে। রাষ্ট্রের শাসনদণ্ড এবং বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধিত্ব যদি মেধা, বিবেক, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিশ্চিত না হয়, তাহলে অন্য কোনো সংস্কারই দীর্ঘস্থায়ী ফল দিতে পারবে না। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। নীতি-নির্ধারণের টেবিলে যদি দূরদর্শী, সৎ ও মেধাভিত্তিক নেতৃত্বের অভাব থাকে, তাহলে সমাজের অন্যান্য স্তরে যত মেধাবী মানুষই থাকুক না কেন, তাদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়ে। যারা আইন তৈরি করবেন, জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করবেন এবং দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন, তাদের নিজস্ব জ্ঞান, মেধা, প্রজ্ঞা ও সৃজনশীলতা থাকা প্রয়োজন। অন্ধ আনুগত্য কিংবা পেশিশক্তির পরিবর্তে রাজনৈতিক দলগুলো যদি মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষকে নেতৃত্ব প্রদানের সুযোগ দেয়, তাহলে রাজনীতি সম্পর্কে জনগণের নেতিবাচক ধারণাও অনেকাংশে বদলে যেতে পারে।

বাংলাদেশের সামনে সম্ভাবনার কোনো অভাব নেই। বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী, প্রযুক্তির বিস্তার, উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন সুযোগ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পরিবর্তনশীল বাস্তবতা—সব মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অসংখ্য সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে মানবসম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। দেশের সবচেয়ে মেধাবী তরুণটি যদি গবেষণার সুযোগ না পান, দক্ষ চিকিৎসক যদি পেশাগত স্বাধীনতা না পান, প্রকৌশলী যদি তার যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব না পান, প্রযুক্তিবিদ যদি উদ্ভাবনের পরিবেশ না পান কিংবা যোগ্য নেতৃত্ব যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে জায়গা না পান, তাহলে রাষ্ট্র তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি অপচয় করবে।

একটি দেশের উন্নয়ন শুধু বড় বড় সেতু, সড়ক, ভবন কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। উন্নয়নের প্রকৃত মানদণ্ড হলো—সেই দেশ তার মানুষের মেধা, দক্ষতা ও সম্ভাবনাকে কতটা কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারছে। একটি দেশের সমৃদ্ধি অনেকাংশে নির্ভর করে তার সেরা মস্তিষ্কগুলো কোন কাজে এবং কোন পরিবেশে ব্যবহৃত হচ্ছে তার ওপর।

আমরা যদি সত্যিই লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে একটি সমৃদ্ধ, সুখী, মানবিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, তাহলে মেধার প্রতি অবিচার বন্ধ করার এখনই সময়। রাজনীতির টেবিল থেকে শুরু করে প্রশাসনিক ভবন, হাসপাতাল, প্রকৌশল দপ্তর, গবেষণাগার এবং শ্রেণিকক্ষ—সব জায়গায় যোগ্য মানুষের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে হবে। মেধাবীদের শুধু পুরস্কৃত করলেই হবে না; তাদের কাজ করার স্বাধীনতা, নিরাপদ পরিবেশ, ন্যায্য পারিশ্রমিক, পেশাগত মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

কারণ একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার সেরা মস্তিষ্কগুলো। সেই মস্তিষ্কগুলো যদি দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পায়, তাহলে বাংলাদেশ শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়—জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, মানবিকতা ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও বিশ্বদরবারে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে। মেধাবীদের বাংলাদেশ কোনো কল্পকাহিনি নয়; সঠিক নীতি, যোগ্য নেতৃত্ব, স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান এবং মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা গেলে এটি বাস্তব সম্ভাবনা।

আজ তাই সময় এসেছে নিজেদের কাছে একটি মৌলিক প্রশ্ন রাখার—আমরা কি সত্যিই মেধাবীদের বাংলাদেশ গড়তে প্রস্তুত, নাকি মেধার কথা শুধু বক্তৃতার মঞ্চেই উচ্চারণ করব? এই প্রশ্নের উত্তরই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের বাংলাদেশের পথচলা। মেধাকে যথাযথ মূল্যায়ন করে, যোগ্য মানুষকে যোগ্য জায়গায় দায়িত্ব দিয়ে এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য কাজের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারলে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ অবশ্যই বদলাবে। আর তখনই বাস্তব রূপ নেবে লাখো-কোটি মানুষের স্বপ্নের সেই কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধ, সুখী ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ।

মো. আবু ছালেক সেলিম রেজা সৌরভ, অধ্যক্ষ, সোনার বাংলা কলেজ, কুমিল্লা,সাবেক সিনেট সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়