রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে র‍্যাব পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত নিয়মিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব সর্বদা তৎপর রয়েছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

গত ৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে কাওরান বাজার, র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে পরিচালক, লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া উইং সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি নিম্নবর্ণিত ঘটনাটি সবার সামনে তুলে ধরেনঃ

গত বছরের শেষভাগ থেকে বিভিন্ন ফেইসবুক আইডি, গ্রুপ, পেইজ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেল হতে বিভিন্ন অসাধু ব্যক্তি কর্তৃক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিবর্গের বিষয়ে অশালীন, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ পোষ্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ভিকটিমগণের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়। এরই প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজু হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের আলোকে র‍্যাব উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে।

পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন মানিক, রবিন তাজ, মামুন লস্কর সরকার, মোঃ হেলাল উদ্দিন, নজরুল ইসলাম এবং মোঃ ইসমাইল রুবেল কে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা, সকল নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আরও দৃঢ়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে র‍্যাব ফোর্সেস।